বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সময়ের চোখ ডট নেট ওয়েবসাইটে আপনাদের স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সময়ের চোখ ডট নেট অনলাইন নিউজ পোর্টালের কর্মরত সকল সাংবাদিকদের ই-মেইলে নিউজ পাঠাতে অনুরোধ করা হলো।
সংবাদ শিরোনাম ::
আরিফুর রহমান তালুকদার পথিকের নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরের জলিরপাড়ে নারী লোভী মেম্বারে বিরুদ্ধে অভিযোগ মুকসুদপুরে আ.লীগের ‘উন্নয়নে মুগ্ধ হয়ে’ বিএনপি নেতা মাহফুজের পদত্যাগ আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগের আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ‌নির্বাচনী বি‌ধি লংঘন করায় সালথায় তিন প্রতিদ্বন্দী চেয়ারম্যান প্রার্থী‌কে শোকজ সালথায় নির্বাচনী আচরণ বি‌ধি লংঘন করায় দুই প্রার্থী‌কে শোকজ নিরোপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কারো কোন হুমকি ধামকি চলবে না-পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান নগরকান্দায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী যাচাই বাছাই সম্পন্ন ফরিদপুর হিন্দু পরিষদ ও জাতীয় হিন্দু মহাজোট উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত । সাপাহারে ফাইনাল ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

মুকসুদপুরে কেঁচো সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী শতাধিক পরিবার

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২১, ৩.৪৮ পিএম
  • ১৪৭ বার পঠিত
Exif_JPEG_420

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট) উৎপাদন করে প্রায় শতাধিক পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। এই সার বিক্রি করে প্রতিমাসে ৭-৮ হাজার টাকা আয় করছে কৃষকরা। এই উৎপাদিত কেঁচো সার স্থানীয় কৃষকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সম্প্রতি মুকসুদপুর উপজেলার পশ্চিম ভাকুরী গ্রামে সালেহা বেগমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে পাট খড়ির ঘর তুলে। ঘরের নিচে সিমেন্টের তৈরি ০৩ টি রিং স্ল্যাব বসিয়ে সার তৈরীর প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে সালেহা বেগমের সংগে আলাপকালে তিনি জানায় এসব রিং স্ল্যাাবে এক বছর ধরে কেঁচো সার উৎপাদন করছেন। প্রতিটি রিং স্ল্যাবে প্রায় দুই হাজার কেজি গোবর, শাকসবজির উচ্ছিষ্টাংশ, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ও কলাগাছ টুকরা টুকরা করে কেটে মিশ্রণ করা হয়। সব রিং স্ল্যাবে ছেড়ে দেওয়া হয় ৪/৫ হাজার কেঁচো। তারপর বস্তা দিয়ে রিং স্ল্যাব ঢেকে রাখা হয়। মোট খরচ হয় প্রায় এক হাজার টাকা। কেঁচো সার উৎপাদন হতে এক মাসের বেশি সময় লাগে। এক মাসে উৎপাদন হয় ২০ মণ কেঁচো সার। প্রতি কেজি সার ১০ টাকা করে বিক্রি করা হয়। এতে খরচ বাদে আয় হয় মোট সাত হাজার টাকা। পাশাপাশি কেঁচোর বংশবিস্তার হচ্ছে। প্রতিটি কেঁচো ৫০ পয়সা হিসেবে বিক্রি করেও তাঁর আয় হচ্ছে। এই সার বিক্রি করে বিভিন্ন জমি কপি, শাক, লাউ, ধনে, কচু, পুঁইশাক, চাষ করেছেন উপজেলার কৃষকরা। একই গ্রামের সাজেদা বেগম কেঁচো সার উৎপাদন করে নিজের জমিতে বিভিন্ন সবজি চাষ করছে। এতে উৎপাদন কয়েক গুণ বেশি হয়েছে।’ সাজেদা বেগম আরো জানায় পারিবারিক কাজের সাথে কেঁচো সার তৈরি করে স্বামীকে আর্থিক সহায়তা করি। আগে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ও পরিবারে খরচ চালাতে অনেক কষ্ট হতো। এখন ভালভাবেই সংসার চলছে ও বাড়তি আয় হচ্ছে। অপরদিকে রমজান আলী বলেন কেঁচো সার ব্যবহার করে কপি ,বেগুন ও কুমড়ার চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছি।’ তিনি আরো বলেন ‘যে হারে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের দাম বাড়ছে, তাতে সবজি চাষ করে লাভ হয় না। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার রিজভী শাহরিয়ার সাথে আলাপকালে তিনি জানায় ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজী প্রোগ্রাম এনএটিপি-২ এর আওতায় মুকসুদপুর কৃষি বিভাগ কেঁচো দিয়ে সার উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রায় শতাধিক কৃষক এই সার উৎপাদন করছেন। বর্তমানে রাসায়নিক সারের অতিব্যবহারে জমির উব্ররতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব এই সার মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি রাসায়নিক সারের ব্যবহার এ উপজেলায় কমেছে। মাটির উব্ররতা শক্তি বৃদ্ধির সাথে কৃষকরা কম খরচে সার পাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

131d5763789044479a781faf3fa13867
© All rights reserved  2021 ‍SomoyerChokh
Theme Download From ThemesBazar.Com