বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সময়ের চোখ ডট নেট ওয়েবসাইটে আপনাদের স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সময়ের চোখ ডট নেট অনলাইন নিউজ পোর্টালের কর্মরত সকল সাংবাদিকদের ই-মেইলে নিউজ পাঠাতে অনুরোধ করা হলো।
সংবাদ শিরোনাম ::

মুকসুদপুরের কোটি টাকার সার আত্মসাৎকারী এনামুলের হদিস ১০ বছরেও মেলেনি

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ১.৫৭ পিএম
  • ২০৬ বার পঠিত

সময়ের চোখঃ
গোপালগঞ্জ জেলাধীন মুকসুদপুর উপজেলার একটি সমিতির নামে বরাদ্দকৃত এক কোটি টাকা মূল্যের সার উত্তোলনের পরে কে বা কারা গায়েব করেছে কর্তৃপক্ষ তা জানেনা। থানায় মামলা দায়েরের ১০ বছর পার হলেও কেউ আটক হয়নি। জানাযায়, কৃষি মন্ত্রনালয় থেকে উপজেলার কমলাপুর পল্লী উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিঃ এর নামে ২০০ মেঃ টন ইউরিয়া ৩০০ মেঃ টন টিএসপি এবং ১০০ মেঃ টন এমওপি সার বরাদ্দ দেয়া হয় এবং উপজেলাধীন গোবিন্দপুর পশ্চিমপাড়া কৃষক সমবায় সমিতি লিঃ এর নামে ১৫০ মেঃ টন ইউরিয়া ৩০০ মেঃ টন টিএসপি, ৫০ মেঃ টন এমওপি সার বরাদ্দ দেয়া হয়। বরাদ্দের পরে সমিতির পক্ষে কোন এক এনামুল হক, পিতা মমিনুল হক, গ্রাম গোবিন্দপুর উক্ত সার ফরিদপুর বিএডিসি গোডাউন থেকে তুলে নিয়ে যান। এর কিছু দিনপরে একই ব্যক্তি কমলাপুর সমবায় সমিতির নামে সার তুলতে গেলে বিএডিসি কর্তৃপক্ষ এনমুলকে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে সে অফিস থেকে সরে পড়ে। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তদন্ত শুরু হলেও সারের কোন হদিস পাওয়া যায়নি। তৎকালীন সময় মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তা এ বিষয়ে তদন্ত করে জানতে পেরেছেন যে, গোবিন্দপুর সমবায় সমিতি নামে যে সমিতি ছিল সে সমিতি ৭/৮ বছর পূর্বে বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং এনামুল হক নামে উক্ত সমিতিতে বা গোবিন্দপুর গ্রামে কোন ব্যাক্তিকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানায় গত ১১ ডিসেম্বর ২০১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হলে ঘটনা স্থল ফরিদপুর সদর হওয়ায় মামলাটি ফরিদপুর সদর থানায় পাঠানো হয়। ফরিদপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মূল হোতার সন্ধানে মুকসুদপুর এসেছিলেন কিন্তু কাউকে খুঁজে পাননি বলে জানাযায়। সার উত্তোলনের সময় যে ছবি জমা দিয়েছিল সে ছবির একটা কপি সংগ্রহ করেন মুকসুদপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মরহুম মোঃ সোহরাব হোসেন ফকির। পুলিশের ধারণা সার উত্তোলনের সময় জমা দেয়া ছবির ব্যক্তিকে ধরতে পারলে সকল রহস্যের উদঘাটন করা সহজ হবে। এত বিপুল পরিমান সার বরাদ্দের পূর্বে প্রভাবশালী কোন ব্যক্তি বা উর্ধতন কোন কর্তৃপক্ষের সুপারিশ নিশ্চই ছিল। এনামুলকে যদি খুঁজে না পাওয়া যায় তবে সুপারিশকারীদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অবশ্যই কোটি টাকা মূল্যের সার গায়েবকারীর সন্ধান অতি সহজেই পাওয়া যাবে বলে অনেকে মন্তব্য করেছে।

সূত্রঃ
সাপ্তাহিক সুবেহ সাদিক
সাংবাদিক মোঃ তারিকুল ইসলাম
১৫ জানুয়ারী ২০১১ইং

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

131d5763789044479a781faf3fa13867
© All rights reserved  2021 ‍SomoyerChokh
Theme Download From ThemesBazar.Com