শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সময়ের চোখ ডট নেট ওয়েবসাইটে আপনাদের স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সময়ের চোখ ডট নেট অনলাইন নিউজ পোর্টালের কর্মরত সকল সাংবাদিকদের ই-মেইলে নিউজ পাঠাতে অনুরোধ করা হলো।
সংবাদ শিরোনাম ::
সালথায় নির্বাচনী আচরণ বি‌ধি লংঘন করায় দুই প্রার্থী‌কে শোকজ নিরোপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কারো কোন হুমকি ধামকি চলবে না-পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান নগরকান্দায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী যাচাই বাছাই সম্পন্ন ফরিদপুর হিন্দু পরিষদ ও জাতীয় হিন্দু মহাজোট উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত । সাপাহারে ফাইনাল ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত সালথায় মেজর (অবঃ) আতমা হালিমের উদ্যোগে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত কোটালীপাড়ায় চেয়ারম্যানের কক্ষে ডেকে নিয়ে ২ সাংবাদিককে হুমকি নগরকান্দায় সাংবাদিকের উপর হামলার চেষ্টা, গণধোলাই খেয়ে পালালো দূর্বৃত্তরা মুকসুদপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি মুকসুদপু‌রে চোলাই মদসহ যুবক আটক

বিলুপ্তির পথে মুকসুদপুরের মৃৎশিল্প

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১, ৪.১২ পিএম
  • ৭৬ বার পঠিত

সময়ের চোখঃ

গ্রাম বাংলার মৃৎশিল্প আজ বিপুপ্তি পথে । মহাসস্কটে দিন কাটাচ্ছে মৃৎশিল্পীরা। বাজারে আধুনিক স্টিল, প্লাষ্টিক ও সিলভারের জিনিস পত্রে বাজার দখল করে নিচ্ছে, টিকে থাকতে পারছেনা চিরচেনা এই মৃৎশিল্পটি। মাটির জিনিসের ব্যবহার কমে যাওয়ায় বদলে যাচ্ছে পালপাড়ার দৃশ্য। ফলে মুকসুদপুরের মৃৎশিল্পীরা আছে মহাবিপদে, ঘরে নেমে এসেছে হাহাকার , অভাব তাদের নিত্যসঙ্গী। উপজেলার শাশুনিয়া গ্রামে সব চেয়ে বেশি তৈরী হত মাটির জিনিস পত্র। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এই পেশার সাথে জড়িত ছিল সনাতন ধর্মের শত শত পরিবার । সরেজমিনে গিয়ে জানাযায় কুমারদের কষ্টের কাহীনি। বাপ-দাদার এই পেশা জীবিকা নির্বাহের জন্য ছেড়ে দিয়ে শহর মুখি হচ্ছে। আবার ভ্যান, টমটম চালিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে জীবন যাপন করছে। মৃৎ শিল্পের সাথে জড়িতরা এ অঞ্চলে থাকলেও হাটে বাজারে আগের মত মাটির জিনিস পত্র চোখে দেখা যায় না। উপজেলার শাশুনিয়া গ্রামের পাল গোবিন্দ জানান এখন আর আগের মতো পাল পাড়ায় আয় নেই। আগে আমরা চরকা দিয়ে বিভিন্ন বাসন-কোসন ও খেলনা তৈরী করতাম। কিন্তু এখন চরকা ব্যবহার কম হয় । কারন চরকা দিয়ে জিনিস পত্র তৈরী করলে দাম বেশি পড়ে ভালো দাম পাওয়া যায় না। এখন আগের মত ভালো মাটি পাওয়া যায় না মাটি কিনে আনতে হয় । জ্বালানীর দাম চড়া। সামান্য আয়ে সংসারটি টিকিয়ে রেখেছি। স্থানীয় নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা পালপাড়া উন্নয়নের জন্য নানান প্রতিশ্রুতি দেন এবং দাবী-দাওয়া পুরন করবেন, কিন্তু নির্বাচন চলে গেলে কোন খোজ খবর রাখে না। প্রতিবেদকের সাথে আলাপ কালে আরো জানান এ পেশাটিকে টিকিয়ে রাখতে সরকারী পৃষ্টপোষকতার আবেদন করা হয়েছিল কোন ফল পাওয়া যায়নি। বড় বড় বেসকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে গিয়ে সাহায্য চেয়ে লাভ হয়নি । সরকারী-বেসকারী পৃষ্টপোষকতার কারনে এ পেশাটি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না। অচিরেই বিলিন হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে পেশাটি। শুধু মাত্র বাড়ীর মহিলাদের কারনে এ পেশাটি টিকে আছে। এক সময় এ শিল্পের অনেক কদর ছিল। বিক্রি হতো প্রচুর এখন লাভের মুখ দেখা যায় না । অচিরেই এ মৃৎশিল্পটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সরকারীও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সহয়তা পেলে এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব বলে মনে করেন উপজেলার মৃৎশিল্পীরা ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

131d5763789044479a781faf3fa13867
© All rights reserved  2021 ‍SomoyerChokh
Theme Download From ThemesBazar.Com