বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সময়ের চোখ ডট নেট ওয়েবসাইটে আপনাদের স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সময়ের চোখ ডট নেট অনলাইন নিউজ পোর্টালের কর্মরত সকল সাংবাদিকদের ই-মেইলে নিউজ পাঠাতে অনুরোধ করা হলো।
সংবাদ শিরোনাম ::

মুকসুদপুরের কৃষ্ণাদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লোহার গেইট চুরি

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১০.২৫ পিএম
  • ৫১৯ বার পঠিত

আরটি হাসানঃ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কৃষ্ণাদিয়া ৬নং মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন লোহার গেইট চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

গত শুক্রবার ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে অত্র স্কুলের পুরাতন লোহার গেইটটি যথা স্থানে দেখতে না পাওয়ায় প্রাথমিক ভাবে চুরি হওয়ার ঘটনা ধারনা করা হয়। পরে খোজ নিয়ে জানা যায় ওই স্কুলেরই ম্যানেজিং কমিটির ২জন সদস্য কাউকে না জানিয়ে কৃষ্ণাদিয়া বাজারের এক লোহার লেদ ব্যাবসায়ী কাছে গোপনে বিক্রি করে দেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় লিটন শেখ নামে এক ব্যাক্তি জানান গেইট টি চুরি হওয়ার খবর শুনে আমি আশে পাশের লোহা ব্যাবসায়ীদের থেকে খোজ নিতে থাকি। এসময় জানতে পারি কৃষ্ণাদিয়া বাজারের লোহা ব্যবসায়ী বাউষখালি গ্রামের মোঃ ইছানুরের গ্রামের বাড়িতে গেইটটি রাখা আছে। সাথে সাথে উক্ত স্থানে গিয়ে গেইটটি দেখতে পাই। আমি বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সকলকে অবগত করে চলে আসি এবং লোহা ব্যবসায়ী ইছানূরের সাথে বিদ্যলয়ের সভাপতি, প্রধান শিক্ষক কে মুখোমুখি করে কে বা কাহারা তার নিকট গেইট টি বিক্রি করেছে তাহা জানা হয়। পরে ওইদিন রাতেই গেইটি চোরেরা জানাজানি হওয়ার সংবাদ পেয়ে রাতের আধারে রেখে জায়।

এ বিষয়ে লোহা ব্যবসায়ী ইছানুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কৃষ্ণনাদিয়া গ্রামের মনির কাজী- পিতা হাবিবুর রহমান (হবি) ও আনোয়ার শেখ – পিতা মান্নান শেখ দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে বায়ের চর পারা গ্রামের রিপনের ভ্যানে লোহার গেইট টি আমার নিকট নিয়ে এসে বিক্রয় করে।গেইট টি ব্যাবহারের যোগ্য বলে আমি আমার বাড়িতে কাজে লাগানোর জন্য নিয়ে যাই।

এবিষয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি চৌতন্য পাল এবং প্রধান শিক্ষক বাবু নিল রতন শিল জানান শুক্রবার দুপুরে আমরা অত্র স্কুলের পুরাতন গেইটটি যথাযথ স্থানে দেখতে না পেয়ে ম্যানেজিং কমিটির সকলকে অবগত করি।তবে প্রাথমিক অবস্থায় আমরা এখনো চোর সনাক্ত করতে পারিনি। লোকমুখে মনির কাজী ও আনোয়ার শেখের কথা সোনা যাচ্ছে। এবিষয়ে শিক্ষা অফিসারের অনুমতি ক্রমে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও অভিযুক্ত সদস্যদের নিয়ে বিষয় টির সত্যতা উদঘাটিত ও সমাধানের জন্য বসবো।

তবে এবিষয়ে সাংবাদিকদের নিকট অভিযুক্ত মনির কাজির বাবা হাবিবুর রহমান জানান আমার ছেলে কৃষ্ণানদিয়া ৬ নং সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুতসাহী সদস্য অন্য কমিটির সদস্যদের না জানিয়ে লোহার গেইট টি বিক্রি করে দিয়েছে। এখন সে তার ভূল বুঝতে পেরেছে। তার জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

131d5763789044479a781faf3fa13867
© All rights reserved  2021 ‍SomoyerChokh
Theme Download From ThemesBazar.Com