রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সময়ের চোখ ডট নেট ওয়েবসাইটে আপনাদের স্বাগতম। আমাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। সময়ের চোখ ডট নেট অনলাইন নিউজ পোর্টালের কর্মরত সকল সাংবাদিকদের ই-মেইলে নিউজ পাঠাতে অনুরোধ করা হলো।
সংবাদ শিরোনাম ::
মুকসুদপুরে ব্লক প্রদর্শনীর রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে সমলয় ধানের চারা রোপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। মুকসুদপুরে মেয়র প্রার্থীর বিলবোর্ড কেঁটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা বাংলানিউজের ফরিদপুর প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিলেন হারুন মুকসুদপুরে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ভুয়া নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন স্বীকৃতি চান মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন স্বীকৃতি চান মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন সালথার বল্লভদী ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার সাইফুর রহমান শাহিনের দায়িত্ব গ্রহণ মুকসুদপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ । সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১০জন আহত । মুকসুদপুরে যুবতীর সঙ্গে আ.লীগ নেতার অশ্লীল ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তোলপাড় বিজয় দিব‌সে প্রধান শিক্ষক মু‌ক্তি‌যোদ্ধার সন্তান লা‌ঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় শিক্ষক মহ‌লের ক্ষোভ

আলোচিত আবরার হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্ট সালথাবাসী

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১, ৬.১১ পিএম
  • ৮৭ বার পঠিত

বোরহান আনিস:

আলোচিত আবরার হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্টের কথা জানিয়েছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। মামলার প্রধান আসামী মেহেদী হাসান রাসেলের বাড়ি ফরিদপুরের সালথায়।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আবাসিক হলের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বীকে (২২) নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের উপস্থিতিতে আবরার হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২০ আসামিকে মৃত্যু এবং পাঁচ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

এ রায়ে সালথা এলাকাবাসী, সুশিল সমাজ, রাজনীতিবীদ, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এ রায়ে সন্তুষ্টের কথা জানিয়েছেন।

এদিকে এই মামলার ফাসিঁর প্রধান আসামী বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলের বাড়ি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাঙ্গারদিয়া গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকালে রাসেলের বাড়ীতে গিয়ে দেখাগেছে নিরবতায় রয়েছে বাড়ির পরিবেশ। তেমন কারো সাথেই কথা বলতে চাচ্ছেন না রাসেলের পরিবার। সেখানে তার পিতা, মাতা ও ছোট ভাই বসবাস করেন।

রাসেলের পিতা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য রুহুল আমিন মুঠোফোনে জানান, আমি এই মুহূর্তে কিছু বলতে চাচ্ছি না এই বিচারের রায় নিয়ে। রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এতটুকু বলবো আমার ছেলে সেদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলো না।

এলাকাবাসী ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ জানান, রাসেলের পরিবারের তিন সদস্য এখানে বাস করে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রাসেল পড়াশুনা করার জন্য ঢাকা থাকতো। আমরা জানতাম রাসেল বুয়েটে পড়ে সে অনেক মেধাবী। রাসেল ছাড়া সবাই বাড়িতেই থাকতো।

এলাকাবাসী আরো জানান, আদালত যেটা সঠিক মনে করেছে সেই রায় ঘোষনা করেছেন। তবে আমরা বলবো এই জঘন্যতম ঘটনার যে বিচার দ্রুত সময়ে হয়েছে এই জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সাথে এ রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবী জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

131d5763789044479a781faf3fa13867
© All rights reserved  2021 ‍SomoyerChokh
Theme Download From ThemesBazar.Com